মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিস্ফোরণ-ধস-আগুন, বহু হতাহতের আশঙ্কা জনগনের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মৌলভীবাজারে জলপ্রপাতে আটকা পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার গৌরনদীর মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক রুম থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করতে পারেনি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার

মুরাদ হোসেন, হাবিপ্রবি, দিনাজপুর
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২২২ বার

১১ হাজার আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের বিপরীতে চিকিৎসক মাত্র ৬ জন। নেই গাইনি, নিউরোলজিস্ট ও চক্ষু চিকিৎসক।
আশানুরূপ চিকিৎসা সেবা দিতে না পারায় শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করতে পারেনি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার।

অব্যস্থাপনা, ওষুধ না দেওয়া, এমনকি জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়া, চিকিৎসকের অনুপস্থিতি এবং প্রাথমিক চিকিৎসা না মেলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। ছুটতে হচ্ছে বাইরের চিকিৎসা কেন্দ্রে। এতে বাড়তি টাকা ব্যয়ের পাশাপাশি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
এদিকে, সেবিকা নিয়োগ দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আর অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে মাত্র ২টি। রোগ নির্ণয়ের আধুনিক যন্ত্রপাতির মধ্যে আল্ট্রাস্নোগ্রাম, এক্সরে মেশিন ও নামমাত্র প্যাথলজি ল্যাব থাকলেও নেই সঠিক ব্যবহার।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, অনেক সময়ে ডাক্তারদের পাওয়া যায় না। কোনো কোনো সময়ে অ্যাম্বুলেন্সও পাওয়া যায় না। আর মেয়েদের অবস্থা তো আরও করুণ। হুটহাট মেয়েরা অসুস্থ হয়ে পড়ে, কিন্তু চিকিৎসকদের খোঁজ থাকে না।
কেউ হেঁটে মেডিকেল সেন্টার যেতে না পারলে ডাক্তারদের অনুরোধ করার পরও তারা আসে না। তবে মহিলা ডাক্তার ও নার্স থাকলে কোন সংকোচ ছাড়ায় নিঃসন্দেহে তারা হলে আসতে পারতো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ৬ জন ডাক্তার দিয়ে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা সম্ভব নয়। এদিকে আমি অবসরে যাব এবং ১ জন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চলে যাবে। তাহলে থাকবে ৪ জন চিকিৎসক। শুধু ৪ জন চিকিৎসক দিয়ে মেডিকেল চালানো সম্ভব নয়। এভাবে চললে দেখা যাবে মেডিকেলেই বন্ধ হয়ে যাবে।
রোগ নির্ণয়ের আল্ট্রাস্নোগ্রাম, এক্সরে মেশিন সহ প্যাথলজি ল্যাবের যন্ত্রপাতি সচল আছে কিনা জানতে চাইলে চিফ মেডিকেল অফিসার জানান, করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় কিছু যন্ত্রপাতিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা টেকনিশিয়ান ডেকেছি তারা আসলেই সমস্যার সমাধান হবে।
চিফ মেডিকেল অফিসার অন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর শিক্ষার্থী ভর্তি হয় ১২’শর মতো কিন্তু তাদের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসক রয়েছে ১৬ জন এবং খন্ডকালীল চিকিৎসক রয়েছে ৭ জন। আমাদের এখানে ভর্তি হয় ২২’শ শিক্ষার্থী কিন্তু চিকিৎসক রয়েছে মাত্র ৬ জন চিকিৎসক। এই সীমাবদ্ধতায় সার্বক্ষণিক মেডিকেল সেন্টার খোলা রাখা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, আমি একটি অর্গানোগ্রাম করেছি। সেখানে ৩০ জন চিকিৎসক, ৬ জন নার্স ও ৬ জন ওয়াড বয় নিয়োগের কথা উল্লেখ রয়েছে।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের মেডিকেল সেন্টার সম্প্রসারণের কাজ এখনও চলমান। মেডিকেল সেন্টারের কাজ পুরোপুরি শেষ হলে আমরা কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com