মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মৌলভীবাজারে জলপ্রপাতে আটকা পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার গৌরনদীর মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক রুম থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এগিয়ে এসে মেসিকে জড়িয়ে ধরলেন ইয়ামাল, হৃদয় ছুঁয়ে গেল দুই প্রজন্মের আলিঙ্গন

পুলিশ কমকর্তার বিরুদ্ধে নড়াইলে  মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৬ বার

হত্যা মামলার এজাহারে ছেলেটির নাম নেই। নাম না থাকা সত্বেও পুলিশ তাকে গত রোববার গভীর রাতে বাড়ি থেকে আটক করে হত্যা মামলায় চালান দিয়েছে।

আদিবাসি সম্প্রদায়ের ওই ছেলেটির নাম রিপন বিশ্বাস (২০)। সে দিনমজুরের কাজ করে। এমন অমানবিক ঘটনা ঘটেছে নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের চন্ডিবরপুর গ্রামে।

এর প্রতিবাদে এবং ওই পুলিশ কমকতার্র বিচারের দাবিতে গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় আদালত চত্বরে মানববন্ধন কমর্সূচি পালন করে আদিবাসি সম্প্রদায়ের প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অশোক কমর্কার,রমেশ বিশ্বাস,মিন্টু বিশ্বাস প্রমুখ।

মানববন্ধন থেকে  ওই পুলিশ কম্কতার্র এমন অমানবিক কমর্কান্ডের জন্য উপযুক্ত বিচার দাবি করা হয় এবং রিপন বিশ্বাসকে অনৈতিকভাবে মামলার আসামি করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেবার দাবি করা হয়।

জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কমকর্তা সদর থানার পরিদশর্ক(এসআই) আব্দুল হক বলেন,মামলার এজাহারে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে তাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শউলি বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলা নম্বর (২৭) ইং তাং ২৩/০৭/২৪।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া রিপন বিশ্বাসের মা সবিতা বিশ্বাস বলেন,রোববার রাত ১২টার দিকে পুলিশ আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। আমার ছেলেকে অত্যাচার-নিযার্তন করা হয়েছে। গ্রামের কোথায় হত্যা হইছে আমরা কেউ-ই জানিনা।

তিনি বলেন,আমার ছেলে দিন মজুরের কাজ করে। তার আয়ের ওপর আমার সংসার চলে। আমার ছেলেকে ছেড়ে না দিলে আমরা না খেয়ে মারা যাব।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের মুরুব্বীরা বলেন,ইউপি নিবার্চনের সময় গ্রামের পূর্ব পাড়ায় মো.আমির শেখের ছেলে মো. ইলিয়াছ শেখকে হত্যা করা হয়।

আমরা থাকি গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় চিত্রা নদীর ত্রিমোহনীতে। আমাদের এখানে আসতে হলে নদীর পার হয়ে আসতে হয়। তিনি দাবি করেন আমরা হিন্দু মানুষ।

নদী পার হয়ে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে গ্রামের পূর্ব পাড়ায় গিয়ে একজন মুসলমান মানুষকে হত্যা করতে যেতে পারি কি?

শিখা রানী বলেন,আমরা কয়েক ঘর আদিবাসি এখানে বাস করি। আমরা এখানে দূর্গা পূজা করে থাকি। আমাদের গ্রামের একজনকে হত্যা মামলার আসামি করায় আমাদের পূজাটাই নষ্ট হয়ে গেল। আমাদের ছেলেকে ছেড়ে দেয়া হোক।

মামলার আসামি পক্ষের কৌশলী রাজিব আহম্মেদ বলেন,এই মামলা সমপর্কে বাদী কিছুই জানে না। তিনি দাবি করেন পুলিশ একটি নিরীহ দিনমজুর ছেলেকে ধরে এনে জোর পূবর্ক স্বীকারোক্তি নিয়ে মামলার আসামি করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com