মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মৌলভীবাজারে জলপ্রপাতে আটকা পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার গৌরনদীর মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক রুম থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এগিয়ে এসে মেসিকে জড়িয়ে ধরলেন ইয়ামাল, হৃদয় ছুঁয়ে গেল দুই প্রজন্মের আলিঙ্গন

পটুয়াখালীতে বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিতে যাওয়া মারিয়া পাস করেছেন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৪ বার

পটুয়াখালীতে বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে এসএসসি কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়া সেই মারিয়া আক্তার পাস করেছে।

তিনি বদরপুর শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৩ দশমিক ৮৩ পেয়েছে। তবে, আশানুরূপ রেজাল্ট না হওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন মেধাবী ছাত্রী সাহসী কন্যা মারিয়া।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের গাবুয়া গ্রামের শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থিনী মারিয়া আক্তার।

গত ১০ এপ্রিল ছিল মারিয়ার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন এবং বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা। পরীক্ষার কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল মারিয়া।

হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তাঁর বাবা মামুন হাওলাদার। বাবা হারানোর শোক সামলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সেই দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেয় মারিয়া আক্তার।

একদিকে বাবা হারানোর চোখের জল টপ টপ করে পড়তে থাকে এবং আরেকদিকে পরীক্ষার খাতায় লিখতে থাকে শোকাহত মারিয়া।

এভাবে সেই সময় এসএসসির সব ক’টি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মারিয়া। সেই দিন মারিয়ার ওই দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত আজও এলাকাবাসীর কাছে অনুকরণীয় হয়ে রয়েছে।

মারিয়া আক্তার বলেন, ‘সেদিনের সেই দুঃসহ স্মৃতি কোনো দিন মন থেকে মুছে ফেলতে পারবো না। বাবার স্বপ্ন ছিল আমাকে ডাক্তারি পড়াবে এবং আমি যেন ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে পারি।

বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্য সেদিন বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে আমি পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম এবং পুরো পরীক্ষাই আমি চোখের জল নিয়েই পরীক্ষা দিয়েছিলাম।

কিন্তু যেভাবে পড়েছিলাম, সেভাবে রেজাল্ট করতে পারিনি।  আমার জন্য কষ্ট লাগছে না, বাবার স্বপ্ন সফল না হওয়ার জন্য কষ্ট হচ্ছে’।

এ ব্যাপারে মারিয়ার ছোট চাচা মো. অলিউল্লাহ হাওলাদার বলেন, ‘ভাইর মৃত্যুতে মারিয়া একেবারে ভেঙে পড়েছিল। আমরা সবাই মিলে ওরে সাহস দিয়েছি এবং সবসময় পাশে থেকেছি।

বাবা হারানোর শোক কাটিয়ে মারিয়া যে সব ক’টি পরীক্ষা দিতে পেরেছে এ জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছি। এই রেজাল্ট দিয়ে আমরা মারিয়াকে ঢাকায় ভালো কোনো কলেজে ভর্তি করাতে চাই। আশা করি এইচএসসিতে আরও ভালো রেজাল্ট করবে সে’।

নিউজটি শেয়ার করুন..

One thought on "পটুয়াখালীতে বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিতে যাওয়া মারিয়া পাস করেছেন"

  1. Bethany3774 says:

    Start sharing, start earning—become our affiliate today! https://shorturl.fm/n8ROp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com