বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিস্ফোরণ-ধস-আগুন, বহু হতাহতের আশঙ্কা জনগনের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মৌলভীবাজারে জলপ্রপাতে আটকা পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার গৌরনদীর মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক রুম থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

ঐতিহাসিক আটঘরিয়ার যুদ্ধ দিবস আজ

মুরাদ হোসেন, পাবনা
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ২০০ বার
আজ ৬ নভেম্বর পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার যুদ্ধ দিবস। ১৯৭১- এর এই দিনে মাজপাড়া ইউনিয়নের বংশীপাড়া এলাকায় চন্দ্রাবতী নদীর তীরে পাবনার সবচেয়ে বড় সম্মুখ যুদ্ধ হয়।
সেদিন পকিস্তানি বাহিনীর বুলেটের আঘাতে শহীদ হন ১৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সাতজন নিরীহ গ্রামবাসীও শহীদ হন। পাকিস্তানি সেনা বাহিনীর ক্যাপ্টেন কর্নেল তাহেরসহ ১৩ জন নিহত হয়।
যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আনোয়ার হোসেন রেনু বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ২২ অক্টোবর বেরুয়ান গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধারা ৯ জন রাজাকারকে হত্যা করেন। তখন দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধা তোয়াজউদ্দিন ও হায়দার আলী শহীদ হন।
প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য রাজাকার ও হানাদার বাহিনী ৬ নভেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজে বের হয়। এই সংবাদ পেয়ে ভারত থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধা একত্র হয়ে হানাদারদের প্রতিরোধ করার পরিকল্পনা করি।
তিনি আরও বলেন, ‘পাবনার কমান্ডার শাহ্জাহান আলী ও ঈশ্বরদীর ওয়াসের কমান্ডারের নেতৃত্বে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা হানাদারদের গতিপথ বংশীপাড়ার চন্দ্রাবতী নদীর পাশে ঘাঁটি গাড়েন। মুক্তিযোদ্ধা ও হানাদাররা সামনা-সামনি আসামাত্রই শুরু হয় ভয়াবহ যুদ্ধ। হানাদারদের ক্যাপ্টেন তাহের ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
আনোয়ার হোসেন বলেন, দেড় ঘণ্টাব্যাপী এ যুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন আবুল কাশেম, আব্দুল খালেক, নায়েব আলী, আব্দুর রশিদ, আব্দুল মালেক, শহিদুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার, মনসুর আলী, আব্দুর রাজ্জাক, ইউনুস আলী, মোহসীন আলী, নূর মোহাম্মদ ও নায়েব আলী।
আটঘরিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মো. জহুরুল হক বলেন, দিনটি উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে পুস্পস্তবক অর্পণ, কবর জিয়ারত ও আলোচনাসভার মাধ্যমে ৬ নভেম্বর ঐতিহাসিক আটঘরিয়ার যুদ্ধ দিবস পালন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com