মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মৌলভীবাজারে জলপ্রপাতে আটকা পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার গৌরনদীর মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক রুম থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এগিয়ে এসে মেসিকে জড়িয়ে ধরলেন ইয়ামাল, হৃদয় ছুঁয়ে গেল দুই প্রজন্মের আলিঙ্গন

কলারোয়ায় অসহায় নারী স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার

মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, সাতক্ষীরা
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০২২
  • ৪৪১ বার

কলারোয়ার এক অসহায় নারী স্বামীর হাতে বারবার নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন ধারে ধারে ঘুরছে।

কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া খোর্দ্দো গ্রামের আহম্মেদ আলীর মেয়ে মোছাঃ বিউটি খাতুন কে যশোর জেলার শার্শা উপজেলার দক্ষীণ বুরুজবাগন গ্রামের মোঃ শহিদুল ইসলাম এর পুত্র মোঃ শাহরিয়ার হোসেন এর সাথে বিজ্ঞ নোটারী পাবলিকের কার্যালয়- যশোর ,ও ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী ১৩-১০-২০১৯ ইং তারিখে ১ লক্ষ টাকা কাবিনে) বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

বছর না ঘুরতেই গরীব অসহায় মেয়ে বিউটি খাতুনের জীবনে নেমে আসে কাল বৈশাখী ঝড়, শুরু হয় নির্যাতনের পালা।

স্বামী শাহরিয়ার হোসেন কারণ অ কারণে বিউটি খাতুনের উপর নির্যাতন চালাতে শুরু করে এবং যৌতুকের দাবি করে। দিন মজুরী খেটে খাওয়া আহম্মেদ আলী র মেয়ে বিউটি খাতুন বাবার কাছে এসে টাকা চাইলে বাবা না দিতে পারায় বিউটি খাতুনের শারীরিক ভাবে নির্যাতন চালাই স্বামী শাহরিয়ার হোসেন।

নির্যাতনে এক পর্যায় অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আহম্মেদ তার মেয়ে কে বাড়ী নিয়ে এসে ১৯-আগস্ট-২০২০ ইং তারিখে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। মেয়ে কে সুস্থ্য করে বাড়ী নিয়ে পরবর্তীতে শাহরিয়ার এর পরিবারের সাথে আলোচনায় বসার জন্য চেষ্টা করে, কিন্তু চেষ্টায় ব্যর্ত হয়ে বিউটি খাতুন বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি অভিযোগ করে। অভিযোগের ভিত্তিতে উভয় পক্ষকে ডেকে থানা কর্তৃপক্ষ তাদের মিমাংশা করে দেয়। এবং তারা সুখে সংসার করতে থাকে এর মধ্যে বিউটি খাতুন সন্তান গর্ভধারণ করেন।

এই সুযোগে পাষন্ড স্বামী পূনরায় বিউটির উপর নির্যাতন করতে থাকে এবং গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে বাড়ী থেকে চলে যায়। ৪ থেকে ৫ মাস অপেক্ষাই থাকার পরে স্বামী বাড়ী না আসায় বিউটি তার বাবার বাড়ীতে চলে আসে।

বিউটি খাতুন স্বামীর কোন খোজ না পেয়ে গত ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য কলারোয়া উপজেলা ভাইস এর কার্যালয় প্রেরণ করেন।

তদন্তে নালিশী দরখাস্তে বর্নিত ঘটনার সত্যতা পাওয়া গিয়াছে বলে চেয়ারম্যান বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন করে প্রেরণ করেন। আদালতের মাধ্যমে ওয়ারেন্ট হলে আসামীকে জেল হাজতে প্ররেণ করেন। এবং শাহরিয়ার পরিবার মেয়েদের পরিবারের সাথে আপোশ করে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

মেয়ের পরিবার দিন মজুরী গরীব হওয়ায় মেয়ের গর্ভে বাচ্ছার কথা চিন্তা করে মিমাংশা করে নেন। এবং মেয়ে তার স্বামীর বাড়ী চলে যায়।

বিউটির গর্ভে থাকা বাচ্ছার জন্মের ৪ মাস হওয়ার পর থেকে সেই আগের মত অত্যাচার নির্যাতন করতে থাকে বিউটি স্বামীর অত্যাচারে সয্য করতে না পেরে ছোট মেয়ে কে নিয়ে বাবার বাড়ী চলে আসে। গরীব বাবা মেয়ের যন্ত্রনা এবং ছোট বাচ্ছার খরচ যোগাতে কষ্ট সাধ্য হওয়ায় বিউটি তার জীবনের সুখের আশায় এর সুষ্ট প্রতিকার চেয়ে ছোট বাচ্চা কোলে নিয়ে বিভিন্ন লোকের ধারে ধারে ঘুরছে।

এ বিষয় শাহরিয়ার এর কাছে জানতে চাইলে বলেন আমি কোন নির্যাতন করিনি সে নিজের ইচ্ছাই চলে গেছে।

বিউটি খাতুন বলেন আমি আমার ছোট দুধে বাচ্ছার জীবনের কথা চিন্তা করে শতযন্ত্রনা সয্য করে হলেও আমি আমার স্বামীর সংসার করতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com