সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশালে সমকালের সাবেক ব্যুরো প্রধান পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বরিশালের সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে পরিবহনের সংঘর্ষ, পথচারী নারী নিহত বরিশালের উজিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারী নিহত বিদুৎপৃষ্টে যুবদল নেতার বাবার মৃত্যু বরিশালে পানিতে ডুবে শিশুর মূত্যু ভূমি অফিসে বরিশাল জেলা প্রশাসনের অ্যাকশন, অনুপস্থিত দুই কর্মচারী স্ট্যান্ড রিলিজ জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন না হয় তাহলে এমন আন্দোলন গড়ে তোলা হবে যে সরকার টিকতে পারবে না-নাহিদ ইসলাম মহসিন মার্কেটে ভুয়া কমিটির পরিচয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ী নেতার ওপর হামলা; সংবাদ সম্মেলন অভিযোগ একাই নদী পরিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিলেন যুবক, পেলেন বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি

ঝালকাঠীর তৈরী ‘চাই’ বা ‘বুচনা এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে

মো. ইসমাইল হাওলাদার, ঝালকাঠি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২২ জুন, ২০২১
  • ৮৩২ বার
মাছ ধরার দেশীয় ফাঁদ ‘চাই’ বা ‘বুচনা’। বর্ষার মৌসুমে খাল-বিল, নদী-নালায় আসতে শুরু করেছে নতুন পানি। আর তাই এখন নদী, নালা, খাল, বিলে নানা প্রজাতির দেশীয় মাছের উপস্থিতি বাড়বে। ছোট আকারের দেশীয় মাছ ধরতে ঝালকাঠির গ্রামে গ্রামে মাছ ধরার ফাঁদ ‘চাই-বুচনা’র চাহিদা বেড়েছে। নিপুণ হাতে তৈরি এসব ফাঁদ জ্যৈষ্ঠ আষাঢ় শ্রাবণ ভাদ্র এই চার মাস বেচা বিক্রি হবে ঝালকাঠি জেলার ৩০টি হাটে।
নানা আকার ও আঙ্গিকে তৈরি এ ফাঁদগুলোর রয়েছে বিভিন্ন নাম। কোনো টিকে বলা হয় চাই, কোনো টি বুচনা, কোনো টি গড়া কিংবা চরগড়া, আবার কোনো টির নাম খুচইন।
মৎস শিকারী মো. হারুন মোল্লা বলেন, এইগুলো দিয়ে চিংড়ী শিং বাইন মাছ সহ আরও বিভিন্ন প্রকারের মাছ ধরা সম্ভব হয়। চাই বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন বলেন, জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি থেকেই সপ্তাহে অন্তত দু’দিন এসব ফাঁদ বিক্রি হচ্ছে শহরের টাউনহল সংলগ্ন সবচে বড় হাটে। একইসাথে, নলছিটি, ষাটপাকিয়া, নাচনমহলসহ,রাজাপুর,কাঠালিয়া জুড়ে  জেলার ত্রিশটি হাটে উঠতে শুরু করেছে ‘চাই-বুচনা’।
বুচনা বিক্রেতা শাহজালাল বলেন, এই বাজারে এহেকটা বুচনা ২০০ হইতে ৩০০ টাহায় বেচি। বর্তমানে বাজারে অনেক রকমের জাল কিনতে পাওয়া যায় হেইয়ার লইগ্গা মোগোতা এহন কম চলে।
এদিকে, মৌসুমি এ পেশাকে কুটির শিল্পে সমৃদ্ধ করতে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন বিসিক কর্মকর্তা। ঝালকাঠি বিসিকের প্রকল্প পরিচালক মো. সাইফুল করিম বলেন, এই পেশায় যারা নিয়োজিত তাদের জন্যে আমাদের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। তাদের জন্যে আমরা স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে থাকি।
প্রতিবছর বর্ষা থেকে শীত পর্যন্ত এসব ফাঁদ বিক্রি হয় বিভিন্ন হাট-বাজারে। সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও, জেলার সহস্রাধিক মানুষ এ মৌসুমি পেশায় জড়িত থেকে বছরের চারমাস জীবিকা নির্বাহ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com