বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিস্ফোরণ-ধস-আগুন, বহু হতাহতের আশঙ্কা জনগনের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মৌলভীবাজারে জলপ্রপাতে আটকা পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার গৌরনদীর মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক রুম থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

সিজারের পর নবজাতক উধাও, ডাক্তার বললেন ‘ভৌতিক গর্ভধারন’

মুরাদ হোসেন, পাবনা
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৩৪৬ বার
পাবনা শহরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক নারীর অপারেশনের (সিজার) পর নবজাতক নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। নবজাতক চুরি করে গায়েব করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন রোগীর স্বজনরা। তবে চিকিৎসক বলছেন- এটা ভৌতিক গর্ভধারণ।
পাবনার হাসপাতাল রোডের শাপলা প্লাস্টিক মোড়ের মডেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনেস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। পাবনার স্থানীয় গণমাধ্যম বাঁশপত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিশেষজ্ঞ সার্জন ডা. শাহীন ফেরদৌস শানুর তত্ত্বাবধায়নে রোগীর অপারেশন সম্পন্ন হয়। অ্যানেসথেসিয়া হিসেবে ডা. শানুর স্বামী আরিফুল ইসলাম ও সহকারী ডা. শরীফুল ইসলাম সহযোগিতা করেন।
ভুক্তভোগী রোগী আকলিমা খাতুন আঁখি পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুরের মাসুমদিয়া ইউনিয়নের রতনগঞ্জের নজরুল ইসলাম গাছীর স্ত্রী ও সাগরকান্দি ইউনিয়নের গোবিন্দপুরের আব্দুল মাজেদের মেয়ে।
রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, গত শুক্রবার রোগীকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আল্ট্রাসনোগ্রাফি সহ সব ডাক্তারি রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সিজার করার পর ডাক্তার বলছেন যে রোগীর গর্ভে কোনো বাচ্চা ছিল না।
এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালের রিপোর্ট রেখে সম্প্রতি করা রোগী সব রিপোর্ট গায়েব করে দেন।
প্রসূতির মা আলেয়া বেগম বলেন, অপারেশনের সময় একবার বাচ্চার কান্নার আওয়াজ শোনা গেছে। হয়তো বাচ্চাটি তাদের ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে। নয়তোবা চুরি করে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক সেলিম উদ্দিন বলেন, সিজারের রোগী হিসেবেই ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু রোগীর কোনো বাচ্চা ছিল না। অন্য কোনো সমস্যা ছিল। যেটা ডাক্তারটা অপারেশনের মাধ্যমে সমাধান করেছেন। কিন্তু এখন রোগীর স্বজনরা মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
ডা. শাহীন ফেরদৌস শানু বলেন, সিজারের রোগী হিসেবেই অপারেশন করতে গিয়ে দেখি তাদের ২০১৭ সালের কাগজপত্র রয়েছে।
কিন্তু আমার আগের রোগী হওয়ায় এবং রোগীর অবস্থা বিবেচনায় অপারেশন করি। কিন্তু কোনো বাচ্চা পাওয়া যায়নি। এটা ভৌতিক গর্ভধারণ ছিল। এটা এক ধরনের রোগ। দুর্ঘটনা বা চুরির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এটা বলা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে সব কাগজপত্র দেখে ও তদন্ত সাপেক্ষে সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com