বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশালে সমকালের সাবেক ব্যুরো প্রধান পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বরিশালের সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে পরিবহনের সংঘর্ষ, পথচারী নারী নিহত বরিশালের উজিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত নারী নিহত বিদুৎপৃষ্টে যুবদল নেতার বাবার মৃত্যু বরিশালে পানিতে ডুবে শিশুর মূত্যু ভূমি অফিসে বরিশাল জেলা প্রশাসনের অ্যাকশন, অনুপস্থিত দুই কর্মচারী স্ট্যান্ড রিলিজ জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন না হয় তাহলে এমন আন্দোলন গড়ে তোলা হবে যে সরকার টিকতে পারবে না-নাহিদ ইসলাম মহসিন মার্কেটে ভুয়া কমিটির পরিচয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ী নেতার ওপর হামলা; সংবাদ সম্মেলন অভিযোগ একাই নদী পরিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিলেন যুবক, পেলেন বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩২১ বার

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উখিয়া কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ইস্ট-ওয়েস্ট ১নং ব্লকে তার অফিসে এ ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় উগ্রবাদী সংগঠন আরসা’কে দায়ী করেছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা।

 

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচিত একটি নাম মুহিবুল্লাহ। রোহিঙ্গাদের যত সংগঠন ও নেতা রয়েছেন এদের সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছিল মুহিবুল্লাহ ও তার সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানরাইটস। ইউএনএইচসিআরের কক্সবাজার অঞ্চলে নিয়োজিত কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক থাকা মুহিবুল্লাহ উখিয়া-টেকনাফের ৩২ রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের একচ্ছত্র আধিপত্য নিয়ে ছিলেন।

 

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ ১৯৯২ সালে রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। তখন থেকেই সে টেকনাফ অঞ্চলে বসবাস করে আসছিল।

 

প্রথমে তিনি ১৫ জন সদস্য নিয়ে গড়ে তোলেন ‘আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানরাইটস’ বা এআরএসপিএইচ। স্থানীয় বাংলাদেশি মানবাধিকারকর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তুলেন মুহিবুল্লাহ। ধীরে ধীরে মুহিবুল্লাহ প্রধান পাঁচ রোহিঙ্গা নেতার একজন হয়ে ওঠেন।

 

তিনি দেশের বাইরে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফর করেন একাধিকবার। কিন্তু ২০১৭ সালে রোহিঙ্গার ঢল নামার পর পরিস্থিতি পাল্টে যেতে থাকে। সুস্পষ্টভাবে মুহিবুল্লাহর আজকের অবস্থানের মূল উত্থান হয় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ২০১৮ সালে ইউএনএইচসিআরকে সংযুক্ত করার পর। রোহিঙ্গাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা থেকেই মদদ পায় মুহিবুল্লাহর সংগঠন এআরএসপিএইচ।

ইংরেজি ভাষা ও রোহিঙ্গাদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগে দক্ষ মুহিবুল্লাহ ধীরে ধীরে প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন বিদেশিদের। ২০১৮-এর জুলাইয়ে র‌্যাব একবার মুহিবুল্লাহকে আটক করে উখিয়া থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশে কোনো প্রকার রেকর্ড ছাড়াই তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

এরপর জাতিসংঘ মহাসচিবসহ যত বিদেশি প্রতিনিধি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গেছেন তাদের প্রত্যেকের সঙ্গেই রোহিঙ্গা প্রতিনিধি হিসেবে মুহিবুল্লাহ ও তার সঙ্গীদের সাক্ষাৎ করানো হয়েছে। এই মুহিবুল্লাহই মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিবকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ১৭ দেশের যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ২৭ প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করেন- সেখানেও যোগ দিয়েছিলেন মুহিবুল্লাহ।

২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট ৩ থেকে ৫ লাখ রোহিঙ্গার মহাসমাবেশ করে তাক লাগিয়ে দেন এবং আনন্দে আত্মহারা করে দেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে লেগে থাকা বিদেশি এনজিওগুলোকে। সমাবেশে মুহিবুল্লাহ বলেছিলেন, নিরাপত্তা আর নিজেদের ভিটা না পেলে কোনো রোহিঙ্গা ফেরত যাবে না। একইসঙ্গে মিয়ানমারকে জুড়ে দিয়েছিলেন ৫ দফা শর্ত।

সূত্রঃ অনলাইন

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com