বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমারঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বরিশালের পুকুর ও খাল হতে পারে ভবিষ্যৎ স্মৃতি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিস্ফোরণ-ধস-আগুন, বহু হতাহতের আশঙ্কা জনগনের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

দক্ষিণাঞ্চলবাসীর জন্য অমাবস্যার বার্তা দিল পানি উন্নয়ন বোর্ড

বরিশাল অফিস
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ১২১ বার

আমাদের দক্ষিণাঞ্চল, দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে যে সমস্ত নদ নদী আছে এই সমস্ত নদ নদীর বেশির ভাগই হলো টাইডাল (জোয়ার-ভাটা) রিভার।

লোয়ার মেঘনা বাদে উজানের পানি বা উজানের বন্যার সাথে (আকস্মিক বন্যা) এই সমস্ত নদ নদীর পানি বৃদ্ধির সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই বলা যেতে পারে।

এই অঞ্চলের নদ নদীর পানির তারতম্য ঘটে:
প্রথমত বর্ষা মৌসুমে আমাবস্যা এবং পূর্ণিমায় (আগে পরে মিলিয়ে চার পাঁচ দিন) এই সমস্ত নদনদীর পানি স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

দ্বিতীয়ত আমাবস্যা এবং পূর্ণিমার সাথে যদি বৈরী আবহাওয়া, সাগরে লঘু চাপ বা নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি অথবা বাতাসের গতিবেগ বেশি থাকে তখন পানি বৃদ্ধির হার তুলনামূলক আরো বেড়ে যায়।

তৃতীয়ত এই অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো ঘূর্ণিঝড় যার কারণে সমুদ্রে সৃষ্ট বৃষ্টি, বজ্র ও প্রচণ্ড ঘূর্ণি বাতাসের কারণে নদ নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

গত ১৯ আগস্ট পূর্ণিমার সাথে সাগরে লঘু চাপ থাকার কারণে পূর্ণিমার দুদিন আগে এবং পূর্ণিমার দুই দিন পরে পানি বৃদ্ধির হার বেশি ছিল এবং বেশিরভাগ নদ নদীর পানি সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় বিপদ সীমার উপরে উঠেছিল।

এখানে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ্য যে বিপদসীমার উপরে পানি উঠে থাকার সময়কাল এক ঘন্টার কম বেশি হয়ে থাকে।

পরক্ষণে এই পানি ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং চার পাঁচ ঘন্টার ব্যবধানে সেই পানি ৫ থেকে ১০ ফিট পর্যন্ত কমে থাকে।

এবং আবার ধীরে ধীরে পানি বাড়তে থাকে এভাবে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুইবার সর্বোচ্চ জোয়ার এবং দুইবার সর্বনিম্ন ভাটা হয়ে থাকে।

তাই টাইঢাল নদীর ক্ষেত্রে ফোরকাস্টিং এর সময় “বিপদ সীমার উপরে” না বলে “সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় বিপদ সীমার উপরে” উঠেছিল বলা শ্রেয়।

পূর্ণিমার প্রভাব শেয হয়ে যাওয়ার পর গত ২২ আগস্ট এর পর থেকে নদ নদীর পানি ক্রমাগত কমতে থাকে এবং উজানের পানির ঢল আসা সত্বেও আমাদের নদ নদীর পানি স্বাভাবিকভাবেই ক্রমাগত হ্রাস অব্যাহত আছে।

যেহেতু ২ আগস্ট আমাবস্যা তাই ৩০ আগষ্ট থেকে ক্রমাগত যে পনি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা আাছে সেটা আমাবস্যার কারণে হয়ে থাকবে।

ফারাক্কা ব্যারাজ খুলে দেয়ার প্রভাব এই অঞ্চলের নদ নদীর উপর পড়র সম্ভবনা নেই ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com