বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমারঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বরিশালের পুকুর ও খাল হতে পারে ভবিষ্যৎ স্মৃতি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিস্ফোরণ-ধস-আগুন, বহু হতাহতের আশঙ্কা জনগনের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

জুলাই আগস্টে বিএনপির মিছিলে হামলা ও হত্যা চেষ্টার ২ মামলার আসামি রিপন জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে বীরদর্পে কর্মরত

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৮ বার

জুলাই আগস্টে হত্যা চেষ্টা, মারামারি, বিস্ফোরক আইন, গুলিবর্ষণ ও অস্ত্র আইনের মামলার আসামি হয়েও বরিশাল জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে জারিকারক হিসেবে বীরদর্পে চাকরি করে যাচ্ছেন মোঃ রুহুল আমিন রিপন।

২০২৪ সালের ২০ আগস্ট বরিশাল মহানগর বিএনপির জিয়াউদ্দিন শিকদার বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। (যার নং ৩২)।

ওই মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ, খোকন সেরনিয়াবাত সহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।

যে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে তার মধ্যে ২৮৭ নাম্বারে আসামি করা হয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা ২৭ নং ওয়ার্ডের রুইয়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ হাওলাদার এর ছেলে রুহুল আমিন রিপনকে একই সাথে একই বছরের ২৫ আগস্ট রায়পাশা করাপুর এলাকার মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন ওই মামলাতেও রুহুল আমিন রিপনকে ৪৯ নাম্বার আসামি করা হয়েছে।

কিন্তু অদৃশ্য কারণে রুহুল আমিন রিপন রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এর আগে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের চাকরি করলেও এবারে তিনি সরাসরি নিয়োগ পেয়েছেন প্রশাসনের বিচারিক আদালত এডিএম কোর্টে ফলে তার বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন গোটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

২টা মামলার আসামি হবার পরেও কিভাবে চলাচল করছেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কর্মী মোঃ রুহুল আমিন রিপন। তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ধীরে ধীরে নিজ অবস্থান ও দলীয় নীতিতে আরো শক্ত অবস্থানে ঘুরছেন তিনি।

এ বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরে আনা হলেও জেলার অতি গুরুত্বপূর্ণ অফিস জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের এডিএম কোর্টে তিনি কিভাবে কর্মরত থাকেন সিটি এবার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তথ্য রয়েছে এই মামলায় যাদেরকে আসামি করা হয়েছে তারা পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক ও সদস্য সচিব জিয়া উদ্দীন সিকদার কে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা কুপিয়ে আহত করে যা ঐ সময় একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

একই সাথে সরাসরি অস্ত্র প্রদর্শন করে হত্যা চেস্টা করেছিল। ঘটনাস্থলে হত্যা যজ্ঞের মত কোন নেক্কারজনক ঘটনা না ঘটলেও বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতা কর্মীরাই গুরুতর আহত হয়ে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ দেশের বিভিন্ন হসপিটালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।

সেই মামলার আসামী হবার পরেও বর্তমান সময়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি দপ্তর জেলার প্রধান কার্যালয় কিভাবে বিচার আদালতে কর্মরত থাকতে পারে এ বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে সুশীল সমাজকে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আরো থাকবে পরবর্তী অংশে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com