মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বরিশালের মিডিয়া পাড়ায় শোকের ছায়া সাংবাদিকরাই হবেন তথ্য কমপ্লেক্সের প্রথম ব্যবহারকারী: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ নিয়ে আমরা ছিনিমিনি খেলতে পারিনা-আইন মন্ত্রী বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন বাকেরগঞ্জে জমির দ্বন্দ্বে হামলা-মামলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচার সংবাদ সম্মেল জুলাই সনদ’ নিয়ে যদি কেউ কোনো ধরনের প্রতারণা বা চক্রান্ত করার চেষ্টা করে, তবে তার পরিণতি কখনো ভালো হবে না-নায়েবে আমীর চরমোনাই ক্ষমতায় এসেই জুলাই যুদ্ধাদের সাথে বেইমানি করেছে-বাবর বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন! চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নিবে বিভাগীয় প্রশাসন! নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় অভিযুক্ত ববি শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্ত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমারঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম

ফরিদপুরে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

এহসান রানা, ফরিদপুর
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৫৮ বার
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে কর্মরত এক যুবক বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের কেওয়াগ্রামে।
এ ঘটনায় ওই সৈনিকের বাবা মো. আরমান হোসেন খান শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তার বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে আরমান খান জানান, তার ছেলে মো. মামুন খানের সঙ্গে কয়েকদিন আগে একই ইউনিয়নের পাঁচ ময়না গ্রামের মো. কামরুল মোল্যা তার মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব পাঠান।
কিন্তু সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় মেয়ের বাবা ক্ষিপ্ত হন। মেয়ের বাবা প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী মেয়ের সঙ্গে মামুন খানের বিয়ের একটি ভূয়া হলফনামা তৈরি করেন বলে আরমান খান সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।
এরপর থেকে ওই মেয়ের বাবা পুত্রবধূ হিসেবে তার মেয়েকে বাড়িতে উঠানোর জন্য আরমান খানকে চাপ দিচ্ছেন।
সুবিচার চেয়ে আরমান খান সাংবাদিকদের জানান, তার ছেলে মামুন খান ওই মেয়েকে বিয়ে করেনি এবং কোন বিয়ের হলফনামাও করেনি।
ভিন্ন ভিন্ন তারিখে সংগৃহীত স্ট্যাম্পের হলফনামায় করা মামুন খানের স্বাক্ষরও জাল। মামুনকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করার জন্য মিথ্যা বিয়ের এফিডেভিট করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ওই এফিডেভিটের হলফনামায় সনাক্তকারী হলেন ফরিদপুর জজ কোর্টের আইনজীবী নিশাকান্ত বিশ্বাস। বিতর্কিত ওই বিয়ের এফিডেভিটে সনাক্তকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেননি মর্মে আইনজীবী নিশাকান্ত বিশ্বাস কর্তৃক প্রদত্ত মামুন খানকে দেয়া একটি প্রত্যয়ন পত্র এ সময় সাংবাদিকদের দেখানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com