সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বরিশালের মিডিয়া পাড়ায় শোকের ছায়া সাংবাদিকরাই হবেন তথ্য কমপ্লেক্সের প্রথম ব্যবহারকারী: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ নিয়ে আমরা ছিনিমিনি খেলতে পারিনা-আইন মন্ত্রী বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন বাকেরগঞ্জে জমির দ্বন্দ্বে হামলা-মামলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচার সংবাদ সম্মেল জুলাই সনদ’ নিয়ে যদি কেউ কোনো ধরনের প্রতারণা বা চক্রান্ত করার চেষ্টা করে, তবে তার পরিণতি কখনো ভালো হবে না-নায়েবে আমীর চরমোনাই ক্ষমতায় এসেই জুলাই যুদ্ধাদের সাথে বেইমানি করেছে-বাবর বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন! চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নিবে বিভাগীয় প্রশাসন! নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় অভিযুক্ত ববি শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্ত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমারঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম

টাকা ছাড়া সেবা মেলে না শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে

বরিশাল অফিস
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১
  • ৫৭৯ বার
ফাইল ফটো

আবারো অভিযোগের শিকড়ে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এবার সাধারণ কোন অভিযোগ নয়। সরাসরি করোনা ওয়ার্ডে  অর্থরো লেনদেনের অভিযোগ চলে এসেছে। তথ্যমতে, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া সেবা মেলে না ।

 

বখশিসের নামে প্রতিটি পদে পদে ঠকিয়ে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। নতুন রোগীকে ওয়ার্ডে নেয়া, অক্সিজেন সিলিন্ডার দেয়া, খালী সিলিন্ডার পাল্টে দেয়া, আইসিইউ ম্যানেজ করে দেয়া, শয্যার আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা ময়লা অপসারণ, সুস্থ রোগীকে ওয়ার্ডের বাইরে বের করে দেয়া সহ সব কিছুই অর্থ দিতে হয় সংশ্লিষ্টদের।

 

এমনকি করোনা ওয়ার্ড থেকে বের হওয়া লাশের কফিন ঘিরেও ব্যবসা জমজমাট সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের। এসব প্রকাশ্য হলেও চোখে পড়ে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। হাসপাতালের পরিচালক, উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালকরা সব শেষ কবে করোনা ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

 

তবে করোনা ওয়ার্ডে অক্সিজেন সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি সহ অর্থ আদায়ের অভিযোগ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক।

 

করোনা ওয়ার্ডে ভুক্তভোগীরা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে মুমূর্ষু রোগীকে করোনা ওয়ার্ডের সামনে নিয়ে গেলে পড়ে থাকতে হয় দীর্ঘক্ষণ। টিকিট কাটাসহ ভর্তি প্রক্রিয়ায় চলে যায় অন্তত ৪০ মিনিট। এরপর রোগীকে স্ট্রেচারে করোনা ওয়ার্ডে নিতে সহায়তা লাগে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের।

 

এ ক্ষেত্রে অর্থ দিতে হয় তাদের। ওয়ার্ডে যাওয়ার পরে রোগীর শ্বাস কষ্ট হলে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়।

 

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড বয় কিংবা আয়াদের অর্থ না দিলে মেলে না সিলিন্ডার। আবার সিলিন্ডার দেয়া হলেও খালী সিলিন্ডার পাল্টে দেয়ার সময় দিতে হয় অর্থ। শয্যার তুলনায় রোগী বেশী হওয়ায় শয্যা ম্যানেজ করার নামেও অর্থ হাতিয়ে নেয় তারা। আবার আইসিইউ শয্যা ম্যানেজের নামেও রোগীদের ঠকিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে ওয়ার্ড মাস্টার সহ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। রোগীর বর্জ্য অপসারণ সহ শয্যার আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতেও দিতে হয় অর্থ।

 

হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচএম সাইফুল ইসলাম বলেন, করোনা ওয়ার্ডে সাড়ে ৫শ’ অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে। একই সাথে ১৭০ জন রোগী অক্সিজেন সেবা পাবার কথা। প্রতিদিন দুই বেলা সিলিন্ডার রিফিল করে দেয় সংশ্লিষ্ট কোম্পানি। কিন্তু তারপরও অক্সিজেন সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। করোনা ওয়ার্ডে প্রতি পদে পদে অর্থ নেয়ার অভিযোগ বৃহস্পতিবার শুনেছেন তিনি।

 

এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আজ শনিবার (৩১ জুলাই) বেলা ১২টায় করোনা ওয়ার্ডের ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা আহ্বান করা হয়েছে।

 

যাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। শীঘ্রই করোনা ওয়ার্ড বখশিস মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেন পরিচালক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com