মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশাল সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন বাকেরগঞ্জে জমির দ্বন্দ্বে হামলা-মামলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচার সংবাদ সম্মেল জুলাই সনদ’ নিয়ে যদি কেউ কোনো ধরনের প্রতারণা বা চক্রান্ত করার চেষ্টা করে, তবে তার পরিণতি কখনো ভালো হবে না-নায়েবে আমীর চরমোনাই ক্ষমতায় এসেই জুলাই যুদ্ধাদের সাথে বেইমানি করেছে-বাবর বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন! চিকিৎসার দ্বায়িত্ব নিবে বিভাগীয় প্রশাসন! নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় অভিযুক্ত ববি শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্ত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমারঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বরিশালের পুকুর ও খাল হতে পারে ভবিষ্যৎ স্মৃতি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিস্ফোরণ-ধস-আগুন, বহু হতাহতের আশঙ্কা জনগনের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী

বরিশাল সদর হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় নষ্ট কোটি টাকার ঔষধ

বরিশাল অফিস
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১
  • ৮৭৪ বার

বস্তা ভর্তি মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বরিশাল সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়কের কক্ষের পিছনে। যেন তিনি নিজেই পাহাড়াদার। বেশকয়েক বস্তা বিভিন্ন ধরনের ইনজেকশন ও ভ্যাকসিন মেয়াদ শেষ করে ফেলে রাখা হয়েছে। যদিও জেলা সিভিল সার্জন বলছেন তিনি জানেন না। এ দায় কার এমন প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর দেননি সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মলয়সহ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন।

 

ঘটনা সূত্রে, গোপন একটি সূত্র নিশ্চিত করেন যে, বরিশাল সদর হাসপাতালের আরএমওর কক্ষের পিছনে লাখ লাখ টাকার সরকারি মেয়াদ উত্তীর্ন ইনজেকশন ও ভ্যাকসিন বস্তাবন্দি করে ফেলে রাখা হয়েছে।

বিষয়টি অনুসন্ধানে হাসপাতালে বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী উপস্থিত হয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনাটির সত্যতা পায়। এর পরেই শুরু হয় হাসপাতালের কর্মকর্তা আর কর্মচারীদের দৌড়ঝাপ। নিজেদের বাচাতে বিভিন্ন ভাবে যুক্তি দাড় করায় আরএমও নিজেই। দেখা গেছে, গ্যাস্ট্রিক এর ইনজেকশন ইসোটিড-৪০, ও কয়েক হাজার পিচ র‌্যাবিস ভ্যাকসিন বস্তা বন্দি করে ফেলে রাখা হয়েছে।

 

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে এই ঔষধগুলো সাধারণ রোগীদের ব্যবহার করতে না দিয়ে গোডাউন জাত করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন এমন আচরণ তার কোন সঠিক ব্যাখ্যা নেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে।

 

এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডা. মলয় কৃষ্ণ বলাই সাংবাদিকদের বলেন, নতুন যোগদানের কারনে বিষয়টি দেখভাল করতে পারিনি। তবে যিনি এর দায়িত্বে রয়েছেন তার একান্ত অবহেলার কারনেই এমনটা হয়েছে। আর এতে সরকারের ক্ষতি হয়েছে প্রায় কোটি টাকার উপরে।

 

আর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন বলেন, আরএমও আমাকে জানাননি। তাই কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। নিয়ম অনুযায়ি কোন ঔষধের মেয়াদ শেষ হবার ৬ মাস আগেই জানাতে হবে। তাহলে বেশি জরুরীতম স্থানে সেগুলো ব্যবহার করা যায়। যেহেতু বিষয়টি জানানো হয়নি তাই সরকারি সম্পদ নষ্ট হয়েছে। তবে এর সমাধানকি বা কার ভুলে বঞ্চিত হলো সাধারণ সেবা প্রার্থীরা এমন প্রশ্নে কোন উত্তর দিতে পারেননি স্বাস্থ্য বিভাগের জেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com