বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমারঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বরিশালের পুকুর ও খাল হতে পারে ভবিষ্যৎ স্মৃতি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিস্ফোরণ-ধস-আগুন, বহু হতাহতের আশঙ্কা জনগনের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু : তথ্যমন্ত্রী ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশালে আহত তাইবুর’র পরিবার এখন হতাশাগ্রস্ত

রবিউল ইসলাম রবি, বরিশাল অফিস
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১১০ বার

বরিশাল ইসলামিয়া কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মোঃ তাইবুর রহমান।

তার পিতা. মোঃ মাইনুল খান পেশায় একজন চা-বিস্কুট দোকান ব্যবসায়ী।  গত ৪ আগস্ট বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সময় বিপরীত দিক থেকে ছোড়া গুলিতে মাথা ও পিঠ সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবৃদ্ধ হয় তাইবুর।

আহত অবস্থায় ওই দিনই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করলেও পরে উন্নত চিকিসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়। আহত তাইবুর এর চিকিৎসার জন্য তার পরিবারের  প্রায় ৭০/৮০ হাজার টাকা ব্যয় হলেও এ পর্যন্ত পাননি চুল পরিমান সহযোগিতা। নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকার আব্দুল হাই মিয়ার ভাড়াটিয়া এবং বরিশাল বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের সতরাজ গ্রামের বাসিন্দা ছাত্র তাইবুর।

মাইনুল খান বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তার ছেলের মাথা সহ হাত-পায়ে ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। পুরো শরীরজুড়ে রয়েছে ছড়া গুলির ক্ষত-বিক্ষতর চিহ্ন। ব্যবসার ক্যাশ টাকা থেকে ছেলের চিকিৎসার করিয়েছি। কিন্তু পাইনি কোন ব্যক্তি বা দপ্তরের সহযোগিতা। ব্যবসার টাকা ব্যয় করেও এখন পর্যন্ত ছেলেকে পুরো সুস্থ করে তুলতে পারেনি। অন্তবর্তীকালীন সরকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত সিংহভাগ শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয় বহন করলেও আমার বেলায় তা জুটেনি। ব্যবসার মূলধন ছেলের চিকিৎসায় ব্যয় করে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছি।

আহত তাইবুর এর  মোসাঃ তাসলিমা বেগম বলেন, পেশায় সে গৃহিণী। তার ছেলে মেধাবী। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র এবং বর্তমানে অসুস্থ শরীর নিয়ে ঢাকায় কোচিং করছে। নিজ সন্তানের শরীর থেকে ছড়া গুলির ছোট ছোট কার্তুজ উঠিয়েছি। সেই গুলি আমার কাছে রয়েছে। ছেলের সুস্থতা ও ভবিষ্যত উজ্জল হোক এটাই অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে কামনা করি। কারণ, সংসারে ২ ছেলের মধ্যে তাইবুর বড়। ছোট ছেলে এখনও শিশু। তাদের সংসারে হাল ধরার কেউ নেই। ব্যবসার অর্থও চিকিৎসায় ব্যয় হয়ে গেছে। এখন অভাব অনটনের মধ্যে জীবন-যাপন করছেন বলে জানান।

আহত তাইবুর রহমান বলেন, জীবনে কিছু পাই বা না পাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আছি এবং থাকবো। যেহুতু আমিও একজন ছা্ত্র। তাই ছাত্র সমাজের বাহিরে কখনই যাবার প্রশ্ন উঠে না।  আমি লেখাপড়ার মধ্যে বা শেষ করে ভালো একটি চাকুরী করে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com