মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফিলিস্তিনের সেই কিশোরীকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ বরিশালে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেত্রীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ আন্দোলনে সমর্থন দেয়ার পরদিনই ছাত্রদের ঘরে ফেরার বার্তা সালমান খানের পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মৌলভীবাজারে জলপ্রপাতে আটকা পড়া ১০ পর্যটক উদ্ধার গৌরনদীর মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক রুম থেকে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এগিয়ে এসে মেসিকে জড়িয়ে ধরলেন ইয়ামাল, হৃদয় ছুঁয়ে গেল দুই প্রজন্মের আলিঙ্গন

ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষন মামলার আসামীকে পুলিশের সহযোগীতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ আকবর আলী, ঠাকুরগাঁও
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১
  • ৬৫৯ বার

ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষন মামলার আসামীকে পুলিশের সহযোগীতার অভিযোগে এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। আজ ১৫ জুন মঙ্গলবার দুপুরে জেলা শহরের একটি রেস্তোরাঁয় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগী নারী।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই নারী লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন, আমি ঠাকুরগাঁও জেলার একজন নিরীহ নির্যাতিতা নারী। নাসিং এর উপর ডিপ্লোমা শেষ করে প্রায় তিন বছর আগে পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারি উপজেলার নিউ পপুলার ও ডায়গনষ্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে নার্সের চাকুরিতে যোগদান করি।

চাকুরি শুরু করতে না করতেই ওই ক্লিনিকের মালিক সাইফুল ইসলাম বিবাহের তথ্য গোপন করে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। তা আমি বার বার প্রত্যাখান করি। পরবর্তীতে কৌশলে ক্লিনিকের একটি কক্ষে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দু বছর যাবৎ মেলামেশা করে।

পরবর্তীতে সে আমাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে আমি আইগত ব্যবস্থার জন্য পরিবারের ও স্বজনদের পরামর্শ নেই। তা জানতে পেরে সাইফুল ও তার স্ত্রী আমাকে শারিরিক ও পাশবিক নির্যাতন করে ক্লিনিকের বাইরে ফেলে দেয়। ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

সুস্থ্য হয়ে মামলার সিদ্ধান্ত নিলে সাইফুল আবারো কৌশল খাটিয়ে গত ৩১ মে ২০২১ইং তারিখে বিবাহের আলোচনার কথা বলে ঠাকুরগাঁও শহরের টিকাপাড়াস্থ তার ভায়রা আলমগীরকে দিয়ে সন্ধ্যায় আমাকে ডেকে নেয়। সেখানেও সাইফুল একটি কক্ষে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে এবং দুইলাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি বারাবারি করতে নিষেধ করে।

আমি রাজি না হলে সাইফুল তার ভায়রা আলমগীরসহ পরিবারের লোকজন বেধরক মারপিট করে। স্থানীয়দের সহযোগীতায় পুলিশ খবর পেয়ে উদ্ধার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তিতে এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা করতে গেলে এসআই আব্দুস সামাদ শুরুতে আমাকে মামলা না করতে ভয়ভীতি দেখায়। পরে আমার পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে আমার করা এজাহার ফেলে রাখে। এসময় আমাকে অভয়দিয়ে তিনি নতুন করে এজাহার লিখবেন বলে চারটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে পাঠিয়ে দেয়।

পরবর্তিতে একটি মামলা করা হলেও সেখানে ধর্ষনের কথা উল্লেখ করেন নি। পরে আমি জানতে পারি এস আই সামাদ আসামীদের নিকটতম আত্মীয়। এসআই সামাদ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে আসামীদের গ্রেফতার না করে জামিনে সহযোগীতা করেন। আমি ওই মামলায় সন্তুষ্ট হতে না পেরে গত ৭ জুন আদালতের দারস্ত হয়ে সাইফুল, বিউটি আক্তার, আলমগীর ও বিলকিস এর নাম উল্লেখ করে আরেকটি মামলা করি।

আমার আবেদন নরপশু সাইফুলসহ সকল আসামীদের গ্রেফতারের দাবি করছি। সেই সাথে একজন পুলিশ কর্মকর্তা কেন এই অন্যায় কাজটি করেছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্তের দায়িত্ব অন্যভকাউকে দিয়ে মামলা পরিচালনার অনুরোধ করেন জেলার পুলিশ সুপার  কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com