রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশালে বালুমহাল মোবাইল কোর্টের জরিমানা বরিশালে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালিঃ বিপ্লব ও সংহতি দিবস দুদক মহাপরিচালকের কাছে বরিশালের বাকেরগঞ্জের সাবেক কৃষি অফিসার রাসেল সিকদারসহ তিন জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ বরিশালের চরকাউয়া রুট অটো-বাস দ্বন্দ্বে অচল বরিশাল সদরের সিংহেরকাঠীতে কবরস্থান হচ্ছে মান্তাদের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য কর্তন করা ১০ কোটি টাকার বেশি ফের আদালত ভবন থেকে পড়ে যুবক নিহত, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা কার্যকরী অর্থনীতি হতে পারে মৎস্য চাষ -জহির উদ্দিন স্বপন যুবদল নেতার কারাদন্ড প্রভাষক ও পরকিয়া করে!

দক্ষিণাঞ্চলবাসীর জন্য অমাবস্যার বার্তা দিল পানি উন্নয়ন বোর্ড

বরিশাল অফিস
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৩৯ বার

আমাদের দক্ষিণাঞ্চল, দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে যে সমস্ত নদ নদী আছে এই সমস্ত নদ নদীর বেশির ভাগই হলো টাইডাল (জোয়ার-ভাটা) রিভার।

লোয়ার মেঘনা বাদে উজানের পানি বা উজানের বন্যার সাথে (আকস্মিক বন্যা) এই সমস্ত নদ নদীর পানি বৃদ্ধির সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই বলা যেতে পারে।

এই অঞ্চলের নদ নদীর পানির তারতম্য ঘটে:
প্রথমত বর্ষা মৌসুমে আমাবস্যা এবং পূর্ণিমায় (আগে পরে মিলিয়ে চার পাঁচ দিন) এই সমস্ত নদনদীর পানি স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

দ্বিতীয়ত আমাবস্যা এবং পূর্ণিমার সাথে যদি বৈরী আবহাওয়া, সাগরে লঘু চাপ বা নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি অথবা বাতাসের গতিবেগ বেশি থাকে তখন পানি বৃদ্ধির হার তুলনামূলক আরো বেড়ে যায়।

তৃতীয়ত এই অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো ঘূর্ণিঝড় যার কারণে সমুদ্রে সৃষ্ট বৃষ্টি, বজ্র ও প্রচণ্ড ঘূর্ণি বাতাসের কারণে নদ নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

গত ১৯ আগস্ট পূর্ণিমার সাথে সাগরে লঘু চাপ থাকার কারণে পূর্ণিমার দুদিন আগে এবং পূর্ণিমার দুই দিন পরে পানি বৃদ্ধির হার বেশি ছিল এবং বেশিরভাগ নদ নদীর পানি সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় বিপদ সীমার উপরে উঠেছিল।

এখানে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ্য যে বিপদসীমার উপরে পানি উঠে থাকার সময়কাল এক ঘন্টার কম বেশি হয়ে থাকে।

পরক্ষণে এই পানি ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং চার পাঁচ ঘন্টার ব্যবধানে সেই পানি ৫ থেকে ১০ ফিট পর্যন্ত কমে থাকে।

এবং আবার ধীরে ধীরে পানি বাড়তে থাকে এভাবে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুইবার সর্বোচ্চ জোয়ার এবং দুইবার সর্বনিম্ন ভাটা হয়ে থাকে।

তাই টাইঢাল নদীর ক্ষেত্রে ফোরকাস্টিং এর সময় “বিপদ সীমার উপরে” না বলে “সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় বিপদ সীমার উপরে” উঠেছিল বলা শ্রেয়।

পূর্ণিমার প্রভাব শেয হয়ে যাওয়ার পর গত ২২ আগস্ট এর পর থেকে নদ নদীর পানি ক্রমাগত কমতে থাকে এবং উজানের পানির ঢল আসা সত্বেও আমাদের নদ নদীর পানি স্বাভাবিকভাবেই ক্রমাগত হ্রাস অব্যাহত আছে।

যেহেতু ২ আগস্ট আমাবস্যা তাই ৩০ আগষ্ট থেকে ক্রমাগত যে পনি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা আাছে সেটা আমাবস্যার কারণে হয়ে থাকবে।

ফারাক্কা ব্যারাজ খুলে দেয়ার প্রভাব এই অঞ্চলের নদ নদীর উপর পড়র সম্ভবনা নেই ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 anondobarta24.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com